এযাবৎ 50 টি গ্রন্থ সংযোজিত হয়েছে।

নাটিকা

নাট্য-নিকেতনে অভিনীত

পৌষ ১৩৩৮

১৩৩৮ সালের ৩রা পৌষ তারিখে কলিকাতার ‘নাট্যনিকেতন’ রঙ্গমঞ্চে ‘আলেয়া’ প্রথম অভিনীত হয়। পরে ঐ সালেই ‘আলেয়া’ গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। প্রকাশক: ডি. এম. লাইব্রেরি; ৬১ কর্ণওয়ালিশ ষ্ট্রিট, কলিকাতা। মুদ্রাকর: শ্রীনরেন্দ্রনাথ কোঙার, ভারতবর্ষ প্রিণ্টিং ওয়ার্কস, ২০৩/১/১ কর্ণওয়ালিশ ষ্ট্রিট, কলিকাতা। ৮+৭২ পৃষ্ঠা; দাম এক টাকা।
১৩৩৬ আষাঢ়ের ‘কল্লোল’ পত্রিকার ‘সাহিত্য-সংবাদ’ বিভাগে বলা হইয়াছে:

‘নজরুল ইসলাম একখানি অপেরা লিখেছেন। প্রথমে তার নাম দিয়েছিলেন ‘মরুতৃষ্ণা’। সম্প্রতি তার নাম বদলে ‘আলেয়া’ নামকরণ হয়েছে। গীতি-নাট্যখানি সম্ভবত মনোমোহন অভিনীত হবে। এতে গান আছে ত্রিশখানি। নাচে গানে অপরুপ হয়েই আশা করি এ অপেরাখানি জনসাধারণের মন হরণ করবে।‘

কিন্তু ‘আলেয়া’ গীতিনাট্যে আছে মোট ২৮টি গান। —‘আলেয়ার গান’ শিরোনামে ১৩৩৮ কার্তিক-পৌষের জয়তীতে ছায়া হইয়াছিল এই ৬টি গান:
  1. ভোরের হাওয়া এলে ঘুম ভাঙাতে কি,
  2. দুলে আলো-শতদল ঝলমল ঝলমল,
  3. আজিকে তনু-মনে লেগেছে রঙ
  4. কেমনে কহি প্রিয় কি ব্যথা প্রাণে বাজে,
  5. কেন রঙিন নেশায় মোরে রাঙালে
  6. কে এলে গো চির-চেনা অতিথি দ্বারে মম।
মনে হয়, ৩, ৪ ও ৬-সংখ্যক ৩টি গান পরে পাণ্ডুলিপি চুড়ান্ত পরিমার্জনকালে পরিত্যক্ত হইয়াছে।
‘আলেয়া’ নাটকের গান: ‘বেসুর বীণায় ব্যথার সুরে বাঁধব গো’ ও ‘জাগো নারী জাগো বহ্নি-শিখা’ ১৩৩৭ বৈশাখের এবং ‘নাচিছে নটনাথ শঙ্কর মহাকাল’ ১৩৩৮ শ্রাবণ-আশ্বিনের জয়তীতে প্রকাশিত হইয়াছিল।
১৩৩৭ শ্রাবণের ‘সওগাতে’ এই বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশিত হয়—

‘আগামী বর্ষে কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘মায়ামৃগ’ উপন্যাস ধারাবাহিকরূপ বাহির হইবে।‘

‘মরুতৃষ্ণা’ গীতিনাটিকা ভ্রমক্রমে ‘মায়ামৃগ’ উপন্যাস বলিয়া বিজ্ঞাপিত হইয়াছিল কিনা, কে বলিবে?
১৩৩৮ আষাঢ়ের ১ম বর্ষ ১ম সংখ্যা ‘স্বদেশ’-এ ঘোষণা করা হইয়াছিল:

‘আগামী সংখ্যায় কবি নজরুল ইসলামের গীতিনাট্য ‘আলেয়া’ আরম্ভ হইবে।‘

কিন্তু ‘আলেয়া’ কোন সাময়িকপত্রেই প্রকাশিত হয় নাই।
আপনার জন্য প্রস্তাবিত
Scroll Up