এযাবৎ 45 টি গ্রন্থ সংযোজিত হয়েছে।
১৩৩৯ সালের আশ্বিন মাসে ‘বন-গীতি’ প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়। প্রকাশক: এম্পায়ার বুক হাউজ, ১৫ কলেজ স্কোয়ার, কলিকাতা। শ্রীরাম প্রেস, ১৬২ নং বহুবাজার ষ্ট্রীট, কলিকাতা হইতে মুদ্রিত। ৮+৯৬ পৃষ্ঠা। মূল্য: দেড় টাকা।
‘কেমনে কহি প্রিয় কি ব্যথা প্রাণে বাজে’ ১৩৩৮ কার্তিক-পৌষের, ‘দোলে নিতি নব রূপের ঢেউ-পাথার ১৩৩৮ শ্রাবণ-আশ্বিনের এবং ‘কুসুম-সুকুমার শ্যামল তনু’ ১৩৩৭ ফাল্গুন-চৈত্রের জয়তীতে প্রকাশিত হয়। ‘কুসুম-সুকুমার শ্যামল তনু’ শ্রীমন্মথ রায়ের ‘সাবিত্রী’ নাটকে গীত হইয়াছিল।
শ্রীমন্মথ রায় তাঁহার ‘সাবিত্রী’ নাটকের ভূমিকায় লিখিয়াছেন: ‘সাবিত্রী’র পরম সম্পদ হইয়াছে তাহার গান। লিখিতে গর্বে এবং গৌরবে আমার বুক ভরিয়া ওঠে যে, সমস্ত গানগুলির কথা এবং সুরই গীত-সুন্দর সুর-জাদুকর বাংলার কবি-দুলাল কাজী নজরুল ইসলামের সস্নেহের দান।‘ … ‘সাবিত্রী’ নাটকে আছে ১৩টি গান; যথা— (১) ‘মৃদুল মন্দে মঞ্জুল ছন্দে’, (২) ‘প্রণমি তোমায় বনদেবতা’, (৩) ‘জবাকুসুমসঙ্কাশ ঐ’, (৪) ‘শুক্লা জ্যোৎস্না-তিথি’, (৫) ‘এস এস তব যাত্রা-পথে’, (৬) ‘ফুলে ফুলে বন ফুলেলা’, (৭) ‘নিশুতি রাতের শশী’, (৮) ‘কুসুম-সুকুমার শ্যামল তনু’, (৯) ‘কেন করুণ সুরে হৃদয়-পুরে’, (১০) ‘বন-বিহারিণী চপল হরিণী’, (১১) ‘তোর বিদায়-বেলার বন্ধুরে’, (১২) ‘ঘোর ঘনঘটা ছাইল গগন’ ও (১৩) ‘জয় মর্ত্যের অমৃতবাদিনী’। ‘কুসুম-সুকুমার শ্যামল তনু’ গানটির আস্থায়ীভাগ এবং অবশিষ্ট ১২টি গান পূর্ববর্তী ‘চন্দ্রবিন্দু’ গীতি-গ্রন্থে সঙ্কলিত হইয়াছে। ‘চন্দ্রবিন্দু’তে ‘কুসুম-সুকুমার শ্যামল তনু’ গানটির আস্থায়ীর পরবর্তী কলিসমূহ এবং রাগ-তাল ভিন্নপ্রকার। উপরোক্ত ‘জবাকুসুমসঙ্কাশ ঐ’ এবং ‘প্রণমি তোমায় বন-দেবতা’ পুনরায় ‘বন-গীতি’তে পরিবেশিত হইয়াছে।
‘আমার কালো মেয়ের পায়ের তলায়’ ১৩৩৮ পৌষের ‘স্বদেশ’-এ প্রকাশিত হয়।
‘পানসে জ্যোছনাতে কে চল গো’ ১৩৪০ জ্যৈষ্ঠের ‘ভারতবর্ষে’ শ্রীজগৎ ঘটক-কৃত স্বরলিপি-সহ বাহির হয়।
জন্মশতবর্ষ সংস্করণের সংযোজন
নজরুলের ‘চন্দ্রবিন্দু’ গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় সেপ্টেম্বর, ১৯৩১-এ। এই গীতি-গ্রন্থটি ১৯৩১ সালের ১৪ই অক্টোবর সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়। বাজেয়াপ্ত প্রত্যাহার করা হয় ৩০শে অক্টোবর ১৯৪৫ সালে। নজরুলের ‘বন-গীতি’ গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় আশ্বিন ১৩৩৯, অক্টোবর ১৯৩২ সালে। চন্দ্রবিন্দু গ্রন্থের অন্তর্গত ‘চল মন আনন্দধাম’, ‘আমার সকলি হচ্ছে, হরি’, ‘কেঁদে যায় দখিন হাওয়া’, ‘ওহে রাখালরাজ’, ‘আমি ভাই খ্যাপা বাউল’—এই পাঁচটি গান ‘বন-গীতি’র প্রথম সংস্করণে অন্তর্ভুক্ত হয়। নজরুল রচনাবলী’র অন্তর্গত ‘চন্দ্রবিন্দু গ্রন্থে উক্ত পাঁচটি গান অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ‘বন-গীতি’ গ্রন্থে বর্জিত হয়েছে।
বনগীতি সূচী
আপনার জন্য প্রস্তাবিত
ভালো লাগা জানান
Scroll Up