এযাবৎ 50 টি গ্রন্থ সংযোজিত হয়েছে।
কোরাস :
কে বলে মোদেরে ল্যাডাগ্যাপচার? আমরা সিভিল গাড়,
  
অরাজক এই ভারত-মাঠে হে আমরা উদ্‌মো ষাঁড়॥
মোরা
লাঙল জোয়াল দড়াদড়ি-ছাড়া,
  
বড়ো সুখে তাই দিই শিং-নাড়া,
  
অসহ-যোগীও করিবে না তাড়া রে –
ওরে
ভয় নাই, ওরা বৈষ্ণব বাঘ, খাবে না মোদের হাড়!
চলো
ব্যাং-বীর বলো ঠ্যাং নেড়ে জোর, ছেডেডে ডেডেং হার্‌র‌্!
কোরাস :
কে বলে ইত্যাদি –
মোরা
গলদঘর্ম যদিও গলিয়া,
বড়ো
বেজুত করেছে লেজুড় ডলিয়া,
তবু
গলদ কোরো না বলদ বলিয়া হে,
মোরা
বড়ো দরকারি সরকারি গোরু, তরকারি নহি তার!
তবে
গতিক দেখিয়া অধিক না গিয়া সটান পগার পার!
কোরাস :
কে বলে ইত্যাদি –
আজ
গোবরগণেশ গোবরমন্ত
  
ল্যাজে ও গোবরে খিঁচেন দন্ত,
  
তবু করুণার নাহিকো অন্ত হে,
যত
মামাদের কড়ি ধামা-ধরে দিয়া আমাদেরই ভাঙে ঘাড়!
আর
বাবাদেরে বেঁধে ঠ্যাঙাতে মোরাই কেটে দি বাঁশের ঝাড়।
কোরাস :
কে বলে ইত্যাদি –
হয়ে
ইভিলের গুরু ডেভিল পশুর –
  
সিভিল-বাহিনী, কী এত কসুর
  
করেছি মাইরি? বলো তো শ্বশুর হে!
ওই
রাঙামুখে বাবা অন্ন দিয়ে তুলি নিজে খাই জোলো মাড়,
তবু
সেলাম ঠুকিতে মলাম বাবা গো বক্র মাজা ও ঘাড়!
কোরাস :
কে বলে ইত্যাদি –
বহে
কালাতে ধলাতে গঙ্গা-যমুনা
  
আমরা তাহারই দিব্যি নমুনা,
  
এ-রীতি পিরিতি বুঝিবে কভু না হে,
তাই
কালামুখ প্রেমে আলা করি হাঁকি – ‘তাড় রে, নেটিভ তাড়’!
তবে
কোপন-স্বভাব দেখিলে অমনি গোপন খাম্বা-আড়!
কোরাস :
কে বলে ইত্যাদি –
এবে
কাঁপিবে মেদিনী শত উৎপাতে
  
চিৎপটাং সে কত ‘ফুটপাথে’
হবে
আমাদেরই ভীম-কোঁৎকাতে হে!
তবে
পরোয়া কী দাদা? ক্যাঁকড়ার সম নিসপিস নাড়ো দাঁড়,
যদি
নিশ্চল হাতে পিস্তল কাঁপে তবু গোঁফে দাও চাড়।
কোরাস :
কে বলে ইত্যাদি –
বাবা!
যদিও এ-দেহ ঝুনো ঠনঠন
  
তবু লোকে ভাবে ঠুঁটো পলটন!
আরে
ঘোড়া নাই! বাস, পায়ে হন্টন হে!
বাজে
করতাল – আজ হরতাল। ডাকে আত্মা যে খাঁচা ছাড়!
ওরে
‘ওয়ান পেস স্টেপ ফরওয়ার্ড মার্চ, থুড়ি থুড়ি ব্যাকওয়ার্ড।’
ল্যাবেণ্ডিশ : কলকাতার সেযুগে একপ্রকার সিপাই।
ভাঙার গান সূচী
আপনার জন্য প্রস্তাবিত
ভালো লাগা জানান
Scroll Up