এযাবৎ 48 টি গ্রন্থ সংযোজিত হয়েছে।
[গান]
জাগো আজদণ্ড-হাতে চণ্ড বঙ্গবাসী।
ডুবালপাপ-চণ্ডাল তোদের বাংলা দেশের কাশী।
জাগো বঙ্গবাসী॥
তোরা হত্যা দিতিস যাঁর থানে, আজ সেই দেবতাই কেঁদে
ওরে তোদের দ্বারেই হত্যা দিয়ে মাগেন সহায় আপনি আসি।
জাগো বঙ্গবাসী॥
মোহের যার নাইকো অন্ত
পূজারিসেই মোহান্ত,
মা বোনে সর্বস্বান্ত করছে বেদি-মূলে।
তোদেরেপূজার প্রসাদ বলে খাওয়ায় পাপ-পুঁজ সে গুলে।
তোরা তীর্থে গিয়ে দেখে আসিস পাপ-ব্যভিচার রাশি রাশি।
জাগো বঙ্গবাসী॥
পুণ্যেরব্যাবসাদারি
চালায় সবএই ব্যাপারি,
জমাচ্ছে হাঁড়ি হাঁড়ি টাকার কাঁড়ি ঘরে।
হায় ছাই মেখে যে ভিখারি-শিব বেড়ান ভিক্ষা করে –
ওরে তাঁর পূজারি দিনে-দিনে ফুলে হচ্ছে খোদার খাসি।
জাগো বঙ্গবাসী॥
এইসবধর্ম-ঘাগি
দেবতায়করছে দাগি,
মুখে কয়সর্বত্যাগী ভোগ-নরকে বসে।
সে যে পাপের ঘণ্টা বাজায় পাপী দেবদেউলে পশে।
আর ভক্ত তোরা পূজিস তারেই, জোগাস খোরাক সেবাদাসী!
জাগো বঙ্গবাসী॥
দিয়ে নিজ রক্তবিন্দু
ভরালি পাপের সিন্ধু –
ডুবলি তায়ডুবলি হিন্দু ডুবালি দেবতারে।
দেখ ভোগের বিষ্ঠা পুড়ছে তোদের বেদির ধূপাধারে।
পূজারীর কমণ্ডলুর গঙ্গাজলে মদের ফেনা উঠছে ভাসি।
জাগো বঙ্গবাসী॥
দিতে যায় পূজা-আরতি
সতীত্ব হারায় সতী,
পুণ্য-খাতায় ক্ষতি লেখায় ভক্তি দিয়ে,
তার ভোগ-মহলের জ্বলছে প্রদীপ তোদের পুণ্য-ঘিয়ে।
তোদের ফাঁকা ভক্তির ভণ্ডামিতে মহাদেব আজ ঘোড়ার ঘাসি।
জাগো বঙ্গবাসী॥
তোরা সব শক্তিশালী
বুকে নয়, মুখে খালি!
বেড়ালকে বাছতে দিলি মাছের কাঁটা যে রে!
তোরা পূজারিকে করিস পূজা পূজার ঠাকুর ছেড়ে।
মা-র অসুর শোধরা সে ভুল, আদেশ দেন মা সর্বনাশী।
‘জয় তারকেশ্বর’ বলে পরবি রে নয় গলায় ফাঁসি।
জাগো বঙ্গবাসী॥
ভাঙার গান সূচী
আপনার জন্য প্রস্তাবিত
ভালো লাগা জানান
Scroll Up