এযাবৎ 50 টি গ্রন্থ সংযোজিত হয়েছে।

[বাউল গান]

  

ওই
তেত্রিশ কোটি দেবতাকে তোর তেত্রিশ কোটি ভূতে
আজ
নাচ বুড্‌ঢি নাচায় বাবা উঠতে বসতে শুতে!
ও ভূত
        যেই দেখেছে মন্দির তোর
  
        নাই দেবতা নাচছে ইতর,
আর
মন্ত্র শুধু দন্ত-বিকাশ, অমনি ভূতের পুতে,
তোর
ভগবানকে ভূত বানালে ঘানি-চক্রে জুতে॥

  

ও ভূত
        যেই জেনেছে তোদের ওঝা
  
        আজ নকলের বইছে বোঝা,
ওরে
অমনি সোজা তোদের কাঁধে খুঁটো তাদের পুঁতে,
আজ
ভূত-ভাগানোর মজা দেখায় বোম-ভোলা বম্বুতে!

  

ও ভূত
        সর্ষে-পড়া অনেক ধুনো
  
        দেখে শুনে হল ঝুনো,
তাই
তুলো-ধুনো করছে ততই যতই মরিস কুঁথে,
ও ভূত
নাচছে রে তোর নাকের ডগায় পারিসনে তুই ছুঁতে!

  

  
আগে   বোঝেনিকো তোদের ওঝা
  
তোরা   গোঁজামিলের মন্ত্র-ভজা।
  
       (শিখলি শুধু চক্ষু-বোঁজা)
  
শিখলি শুধু কানার বোঝা কুঁজোর ঘাড়ে থুতে,
তাই
আপনাকে তুই হেলা করে ডাকিস স্বর্গদূতে॥

  

ওরে
       জীবন-হারা, ভূতে-খাওয়া!
  
       ভূতের হাতে মুক্তি পাওয়া
  
সে কি সোজা? – ভূত কি ভাগে ফুসমন্তর ফুঁতে?
তোরা
ফাঁকির ‘কিন্তু’ এড়িয়ে – পড়বি কূলহারা ‘কিন্তু’তে!

  

ওরে
        ভূত তো ভূত – ওই মারের চোটে
  
        ভূতের বাবাও উধাও ছোটে!
  
ভূতের বাপ ওই ভয়টাকে মার, ভূত যাবে তোর ছুটে।
তখন
ভূতে-পাওয়া এই দেশই ফের ভরবে দেবতা দূতে॥
বিষের বাঁশী সূচী
আপনার জন্য প্রস্তাবিত
ভালো লাগা জানান
Scroll Up