এযাবৎ 50 টি গ্রন্থ সংযোজিত হয়েছে।
  
এবার আমার জ্যোতির্গেহে তিমির প্রদীপ জ্বালো।
আনো
অগ্নিবিহীন দীপ্তিশিখার তৃপ্তি অতল কালো।
  
                  তিমির প্রদীপ জ্বালো।

  

  
        নয়ন আমার তামস-তন্দ্রালসে
  
        ঢুলে পড়ুক ঘুমের সবুজ রসে,
  
রৌদ্র-কুহুর দীপক-পাখা পড়ুক টুটুক খসে,
আমার
নিদাঘদাহে অমামেঘের নীল অমিয়া ঢালো।
  
                  তিমির প্রদীপ জ্বালো।

  

  
মেঘে ডুবাও সহস্রদল রবি-কমলদীপ,
ফুটাও
আঁধার-কদম-ঘুমশাখে মোর স্বপন মণিনীপ।
  
        নিখিলগহন-তিমির তমাল গাছে
  
        কালো কালার উজল নয়ন নাচে,
  
আলো-রাধা যে কালোতে নিত্য মরণ-যাচে –
ওগো
আনো আমার সেই যমুনার জলবিজুলির আলো।
  
                  তিমির প্রদীপ জ্বালো।

  

  
দিনের আলো কাঁদে আমার রাতের তিমির লাগি
সেথায়
আঁধার-বাসরঘরে তোমার সোহাগ আছে জাগি।
  
        ম্লান করে দেয় আলোর দহন-জ্বালা
  
        তোমার হাতের চাঁদ-প্রদীপের থালা,
  
শুকিয়ে ওঠে তোমার তারা-ফুলের গগন-ডালা।
ওগো
অসিত আমার নিশীথ-নিতল শীতল কালোই ভালো।
  
                  তিমির প্রদীপ জ্বালো।

  

সমস্তিপুরের ট্রেন-পথে
ফাল্গুন ১৩৩০
[কার্তিক ১৩২৯]
আপনার জন্য প্রস্তাবিত
Scroll Up