এযাবৎ 50 টি গ্রন্থ সংযোজিত হয়েছে।
১৩৪১ সালের আশ্বিন মাসে ‘গানের মালা’ প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়। প্রকাশক: গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় অ্যাণ্ড সন্স; ২০৩/১/১ কর্ণওয়ালিশ ষ্ট্রিট, কলিকাতা। ভারতবর্ষ প্রিণ্টিং ওয়ার্কস হইতে শ্রীগোবিন্দচন্দ্র ভট্টাচার্য দ্বারা আর্ট কাগজে সবুজাভ রেখাচিত্রের ভিত্তির উপর মুদ্রিত। ৮ + ৯৬ পৃষ্ঠা। দাম দেড় টাকা।
‘আমি সুন্দর নহি জানি’ ১৩৪১ আশ্বিনের ‘না-ই পরিলে নোটন-খোঁপায়’ ১৩৪১ আষাঢ়ের, ‘অয়ি চঞ্চল-লীলায়িত-দেহা’ ১৩৪২ শ্রাবণের, ‘ভুল করে যদি ভালোবেসে থাকি’ ১৩৪১ জ্যৈষ্ঠের, ‘বল্‌ রে তোরা বল্‌ ওরে রে আকাশ-ভরা তারা’ ১৩৪১ বৈশাখের এবং ‘বল্‌ সখি বল্‌ ওরে সরে যেতে বল্‌’ ১৩৪১ ভাদ্রের ‘মাসিক মোহাম্মদীতে প্রকাশিত হয়।
‘আধো আধো বোল’ ১৩৪১ শ্রাবণ-আশ্বিনের, ‘যদি সন্ধ্যাবেলায় প্রিয় তুলসী-তলায়’ ১৩৪১ বৈশাখ-আষাঢ়ের, ‘স্নিগ্ধ শ্যাম বেণী-বর্ণা এস মালবিকা’, ‘আমি অলস উদাস আনমনা’ এবং শূন্য এ বুকে পাখি মোর আয়’ ১৩৪০ পৌষ-চৈত্রের এবং ‘তুমি ভোরের শিশির রাতের নয়ন-পাতে’ ১৩৪০ ভাদ্র-অগ্রহায়ণের ‘বুলবুল’ পত্রিকায় বাহির হয়।
‘ঐ কাজল-কালো চোখ’ ১৩৪১ বৈশাখ-আষাঢ়ের ‘বুলবুল’-এ ছাপা হয়; কিন্তু তাহাতে গানটির অস্থায়ী এরূপ—
চিকন কালো ভুরুর তলে কাজল-কালো চোখ।
আদি কবির আদি-রসের যেন দুটি শ্লোক।।
‘আজ নিশীথে অভিসার তোমার পথে’ ১৩৪১ ভাদ্রের, ‘মুঠি মুঠি আবির ও কে কাননে ছড়ায়’ ১৩৪১ ফাল্গুন-চৈত্রের এবং ‘দাও শৌর্য দাও ধৈর্য হে উদার নাথ’ ১৩৪১ অগ্রহায়ণের ‘সবুজ বাঙলা’-য় বাহির হয়।
‘আমি ময়নামতীর শাড়ি দেবো’ ১৩৪১ শ্রাবণের, ‘এ কি অপরূপ রূপে মা তোমায় হেরিনু পল্লীজননী’ ১৩৪১ বৈশাখের, ‘বুনো ফুলের করুণ সুবাস ঝুরে’ ১৩৪০ ফাল্গুনের, ‘কলঙ্ক আর জ্যোৎস্নায় মেশা’ ১৩৪০ মাঘের, ‘রাত্রিশেষের যাত্রী আমি’ ১৩৪১ জ্যৈষ্ঠের এবং ‘আঁধার রাতের তিমির দুলে আমার মনে’ ১৩৪১ ভাদ্রের ‘ছায়াবীথি’-তে ছাপা হয়।
‘দূর প্রবাসে প্রাণ কাঁদে আজ’ ১৩৪০ আশ্বিনের, ‘শঙ্কাশূন্য লক্ষ কণ্ঠে বাজিছে শঙ্খ’ ১৩৪০ ভাদ্রের ও ‘চল্ রে চপল তরুণ-দল বাঁধন-হারা’ ‘রণমাদল’ শিরোনামে ১৩৪০ আশ্বিনের ‘মোয়াজ্জিন’-এ প্রকাশিত হয়।
‘শুভ্র সমুজ্জ্বল হে চির-নির্মল’ ১৩৪১ জ্যৈষ্ঠের ‘ভারতবর্ষে’ শ্রীজগৎ ঘটক-কৃত স্বরলিপি-সহ বাহির হয়।
আপনার জন্য প্রস্তাবিত
Scroll Up