এযাবৎ 50 টি গ্রন্থ সংযোজিত হয়েছে।
পোহয়নি রাত, আজান তখনও দেয়নি মুয়াজ্জিনমুয়াজ্জিন — নামাজের আহ্বায়ক।,
মুসলমানের রাত্রি তখন আর-সকলের দিন।
অঘোর ঘুমে ঘুমায় যখন বঙ্গ-মুসলমান,
সবার আগে জাগলে তুমি গাইলে জাগার গান!
ফজরফজর — প্রত্যুষ। বেলার নজর ওগো উঠলে মিনার পর,
ঘুম-টুটানো আজান দিলে – ‘আল্লাহো আকবর!’
কোরান শুধু পড়ল সবাই বুঝলে তুমি একা,
লেখার যত ইসলামি জোশ তোমায় দিল দেখা।
খাপে রেখে অসি যখন খাচ্ছিল সব মার,
আলোয় তোমার উঠল নেচে দু-ধারী তল্‌য়ার!
চমকে সবাই উঠল জেগে, ঝলসে গেল চোখ,
নৌজোয়ানীর খুন-জোশিতেখুন-জোশিত — রক্তের উদ্দীপনা। মস্ত্ হল সব লোক!
আঁধার রাতের যাত্রী যত উঠল গেয়ে গান,
তোমার চোখে দেখল তারা আলোর অভিযান।
বেরিয়ে এল বিবর হতে সিংহশাবক দল,
যাদের প্রাতাপ-দাপে আজি বাংলা টলমল!
এলে নিশান-বরদার বীর, দুশমন পর্দার,
লায়লালায়লা — রাত্রি। চিরে আনলে নাহারনাহার — দিন।, রাতের তারা-হার!
সাম্যবাদী! নর-নারীরে করতে অভেদ-জ্ঞান,
বন্দিনিদের গোরস্থানে রচলে গুলিস্তান!
শীতের জরা দূর হয়েছে ফুটছে বাহার-গুল,
গুলশনে গুল ফুটল যখন – নাই তুমি বুলবুল!
মশালবাহী বিশাল পুরুষ! কোথায় তুমি আজ?
অন্ধকারে হাতড়ে মরে অন্ধ এ-সমাজ।
নাইকো সতুনসতুন — স্তম্ভ।, পড়ছে খসে ইসলামের আজ ছাদ;
অত্যাচারের বিরুদ্ধে আর ঘোষবে কে জেহাদ?
যেমনি তুমি হালকা হলে আপনা করি দান,
শুনলে হঠাৎ – আলোর পাখি – কাজ-হারানো গান!
ফুরিয়েছে কাজ, জাকছে তবু হিন্দু-মুসলমান,
সবার ‘আজীজ’, সবার প্রিয়, আবার গাহো গান!
আবার এসো সবার মাঝে শক্তিরূপে বীর,
হিন্দু-সবার গুরু ওগো, মুসলমানের পির!** — আবদুল আজীজ ছিলেন চট্টগ্রামের শিক্ষাবিদ ও মুসলিম বাংলার প্রথম গ্র্যাজুয়েট, গানটিতে তাঁরই প্রশস্তি।
আবদুল আজীজ ছিলেন চট্টগ্রামের শিক্ষাবিদ ও মুসলিম বাংলার প্রথম গ্র্যাজুয়েট, গানটিতে তাঁরই প্রশস্তি।
সন্ধ্যা সূচী
আপনার জন্য প্রস্তাবিত
ভালো লাগা জানান
Scroll Up