এযাবৎ 50 টি গ্রন্থ সংযোজিত হয়েছে।
’নতুন চাঁদ’ প্রথম সংস্করণ ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়। প্রকাশক: মোহাম্মদ ছদরুল আনাম খান; মোহাম্মদী বুক এজেন্সি; ৮৬-এ লোয়ার সার্কুলার রোড, কলিকাতা। ৬৪ পৃষ্ঠা। দাম দুই টাকা। মুখবন্ধে ‘প্রকাশক’ বলেন—
বাংলার শ্রেষ্ঠ কবি কাজী নজরুল ইসলাম আজ রোগশয্যায়। প্রতিভার দীপ্ত সূর্য ব্যাধির কাল-মেঘে আচ্ছন্ন। এ মেঘ কেটে যাবে, এ আশা আমাদের আছে এবং সত্বর কেটে যাক, আল্লার কাছে এই মোনাজাত করি।
কবির লেখা সর্বশেষ কবিতা-গ্রন্থ ‘নতুন চাঁদ’ তাঁর রোগাক্রান্ত হওয়ার অনতিপূর্বে লিখিত কবিতাগুলির সঞ্চয়ন। ‘নতুন চাঁদ’-এর পর তাঁর আর কোনো গ্রন্থ অচিরে প্রকাশিত হবে বলে আশা করা যায় না। তাই এই যুদ্ধের ডামাডোলের মধ্যেও নজরুল কাব্য-পিপাসুদের হাতে ‘নতুন চাঁদ’ বহু আয়াস স্বীকার করেও আনন্দের সাথে তুলে দিলাম।
‘নতুন চাঁদ’ বাংলার জরাগ্রস্ত জীবনে নতুন আনন্দ ও আশার বাণী ধ্বনিত করুক, এই কামনা করি।
২৩শে মার্চ ১৯৪৫
প্রকাশক
১৯৫১ খ্রিষ্টাব্দে কাব্যখানির দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়। প্রকাশক: মঈনউদ্‌দীন হোসায়ন বি.এ.: নূর লাইব্রেরি, ১২/১ সারেঙ্গ লেন, কলিকাতা-১৪। ৭২ পৃষ্ঠা। দাম দুই টাকা আট আনা। মঈনউদ্‌দীন হোসায়ন ২৫শে জানুয়ারি, ১৯৫১ তারিখে ‘দ্বিতীয় সংস্করণের নিবেদন’-এ বলেন—
বহু বন্ধু-বান্ধবের অনুরোধে দ্বিতীয় সংস্করণে কবির দুইটি নতুন কবিতা, যথা— ‘ঈদের চাঁদ’ এবং ‘চাঁদনী রাতে’ সন্নিবেশিত হইল। প্রথম কবিতাটি অধুনালুপ্ত দৈনিক ‘নবযুগে’ (৪ঠা কার্তিক, ১৩৪৮) প্রকাশিত হয়। ‘ঈদের চাঁদ’ কবিতাটি ‘নবযুগে’ প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এতদূর জনপ্রিয় হইয়া ওঠে যে, বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবাদপত্র ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’ (৫ই কার্তিক বুধবার, ১৩৪৮ সাল, ২২শে অক্টোবর, ১৯৪১) নিজের স্তম্ভে উহা মুদ্রিত করিয়া কবির প্রতি অশেষ সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন।
‘চাঁদনী রাতে’ কবিতাটি কবির ‘সিন্ধু-হিন্দোল’ কাব্যে অন্তর্ভূক্ত হইয়াছে বলিয়া এখানে পরিত্যক্ত হইল।
কাব্যখানির প্রথম কবিতা: ‘নতুন চাঁদ’ ১৯৪১ খ্রিষ্টাব্দের ৫ই নভেম্বর দৈনিক ‘নবযুগ’ পত্রিকায় ‘নতুন চাঁদ—নৌজোয়ান!’ শিরোনামে বাহির হইয়াছিল।
‘চির-জনমের প্রিয়া’ ১৩৪৭ ফাল্গুনের, ‘আমার কবিতা তুমি’ ১৩৪৭ চৈত্রের এবং ‘সে যে আমি’ ১৩৪৭ পৌষের ‘সওগাত’ পত্রিকায় প্রকাশিত হইয়াছিল।
‘অভেদম্’ ১৩৪৭ অগ্রহায়ণে প্রথম বর্ষের প্রথম সংখ্যক এবং ‘অভয়-সুন্দর’ ১৩৪৭ পৌষে প্রথম বর্ষের দ্বিতীয় সংখ্যক ‘রূপায়ণ’ পত্রিকায় প্রকাশিত হইয়াছিল।
‘দুর্বার যৌবন’ দৈনিক ‘আজাদ’ হইতে ১৩৪৭ মাঘের ‘মাসিক মোহাম্মদী’তে পুনর্মুদ্রিত হইয়াছিল। ‘আর কত দিন’ সেই মাসেই ‘মাসিক মোহাম্মদী’তে বাহির হইয়াছিল।
‘মোবারকবাদ’ ১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দের ৭ই আগষ্ট মোতাবেক ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ২২শে শ্রাবণ তারিখের দৈনিক ‘আজাদ’ পত্রিকায় ‘মুকুলের মহফিল’ শিরোনামে ছাপা হইয়াছিল।
‘কৃষকের ঈদ’ ১৯৪১ খ্রিষ্টাব্দের ঈদ-সংখ্যা সাপ্তাহিক ‘কৃষক’ পত্রিকায় এবং ‘আজাদ’ সেই বৎসরেরই ঈদ-সংখ্যা ‘আজাদ’ পত্রিকায় বাহির হইয়াছিল।
আপনার জন্য প্রস্তাবিত
Scroll Up